আমার ইসলাম
একটা গল্প বলি, তিনজন লোককে বলা হল বিড়ালকে মরিচ খাওয়ানোর জন্য, ১ম জন আয় চু চু আয় খা,বিড়ালটি খাচ্ছে না, ২ য় জন বিড়ালকে ঠেসে ধরল মরিচে,তাও খাচ্ছে না আর শেষের জন বিড়ালের পশ্চাৎপদে ঘষে দিল ব্যাস এখন চেটে চেটে খাচ্ছে। আমাদের অবস্থা ঠিকই এমন, যখন যে ঘসে দিচ্ছে আমরা খাচ্ছি। ও আচ্ছা কি নিয়ে কথা বলছি? ধরেন ব্রিটিশদের চা থেকে এখনকার ভারতীয় চ্যানেল পর্যন্ত একটু ঘষে দিয়েছে বাকিটা লেখতে ইচ্ছা করছে না, আসলে আমরা সরল জাতি তো চিনি আর লবনের পার্থক্যটা চেকে বিশ্বাস করতে চাই না দেখে বিশ্বাস করতে চাই। যাই হোক কোন জিনিস নিয়া প্রশ্ন তোলার আগে ওই বিষয়ের উপর নলেজ না থাকলে অনেক প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়, আর ইসলাম তো বিশাল ব্যাপার। সাধারণ কোন মাসালাহ নিয়ে গুগুল করলে যে বিতর্কিত মন্তব্য আসে যেন মনে হয় না জানাটা ভাল ছিল, সেই দিন সম্মিলিত মোনাজাত নিয়ে ধোয়াশার কারনে গুগোল করতে গিয়ে দেখি ১ জন ইসলামিক স্কলার বলছেন এইরকম কোন একটা জাল হাদিস ও নাই অন্যজন বলছে ৭২টা হাদিস দেখতে পারবেন। আপনি ভাবছেন কোন মুফতির কাছে গেলেই তো হয়? তাই নাহ!! আচ্ছা এবার বলি
আমি ঃ যথারীতি আমি আমার উক্ত প্রশ্ন করলাম
হুজুর ঃ উত্তরে আপনার দাড়ি এত ছোট কেন?
আমি ঃ আমি অপ্রস্তুত! হুজুর বেয়াদবি মাফ করবেন একটা গল্ল বলি?
হুজুর ঃ জি বলেন
আমি ঃ একটা স্কুলে তিনজন ছাত্র আছে, একজন আসেনা, একজন মাঝে মাঝে আসে, আরেকজন একেবারে আসেনা। এখন শিক্ষক ছাত্র হিসেবে কাদের চিনবেন?
হুজুর ঃ যারা স্কুলে আসতেছে।
আমি ঃ জি হুজুর, আমার দাড়ি ছোট হলেও আমি ছাত্র, ইনশাআল্লাহ আমি ভাল ছাত্র হব ইনশাআল্লাহ
আধুনিক যুগে এসে একটা লাভ হচ্ছে, প্রায় সব ধরনের নলেজ আচ পাওয়া যায়।আমার মনে হয় ইসলাম প্রেকটিস করার জন্য নিজের সুচিন্তা, পড়াশোনা আর কোরআন ও হাদিস ই যথেষ্ট।
ছোটবেলায় একটা গল্প শুনেছিলাম, একদিন সকালে একলোক হাউমাউ করে কান্না করে ছুটাছুটি করছে আর বলছে ইসলাম মারা গেছে, ইসলাম মারা গেছে! পরে জানা যায় নুরুল ইসলাম মারা গেছে!!
আমাদের অন্তর আত্তায় ইসলাম মারা যাচ্ছে শুধু মাত্র নিজেদের বিরোধের জন্য - তুই হানাফি, তুই মাজার পুজারি, তুই আহলে খবিশ- আস্তাগফিরুলাহ
কুমিল্লা থেকে ঢাকা যাওয়ার উদ্দেশ্য রওনা দেওয়া হলে, আমাদের উদ্দেশ্য ঢাকায় পৌছানো, আমাদের মুল উদ্দেশ্য সেটার বাহন হতে পারে কেউ যাবে রিকশা দিয়ে আর কেউ যাবে হেলিকপ্টার দিয়ে।
Comments
Post a Comment